তারা এক অন্ধকার ভবিষ্যৎ রেখে পালিয়ে গেছে: ইবিতে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, পতিত সরকার এমন এক ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে গেছে, যা যুব সমাজের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তৈরী করেছে। তারা এক অন্ধকার ভবিষ্যৎ রেখে পালিয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) বেলা ১১টায় কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘শিক্ষা-শিল্পের ঐকতান, কর্মসংস্থানের সমাধান’ শীর্ষক ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিক কোলাবোরেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, পতিত সরকার জনগণের ইচ্ছা আকাঙ্খা এবং সামনের দিকের অগ্রযাত্রার কোন চিন্তা না করে নিজেদেরকে লালন পালন করার এক অর্থনীতি চালু করে রেখেছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায়। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: এমতাজ হোসেন ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো ইদ্রিস আলী । স্বাগত বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড.মো আতিকুর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বব্যবস্থায় মানুষের চিন্তা-চেতনা, ধ্যান-ধারণা ও কর্মক্ষেত্রের প্রকৃতিতে মৌলিক পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কারিকুলামে প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও শিল্পসংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা অন্তর্ভুক্ত করা না গেলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক কর্মক্ষেত্রে তারা প্রত্যাশিত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে না।
ইবি উপাচার্য আরও বলেন, আপনারা শুনে খুশি হবেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ একাডেমিক অথরিটি ‘একাডেমিক কাউন্সিল’ প্রত্যেকটি ডিসিপ্লিনে ৩ ক্রেডিট ও ১০০ নম্বরের একটি ইন্ডাস্ট্রি-রিলেটেড কোর্স কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

এসময় বিভিন্ন বিভাগের ডিন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে কর্মমুখী ও ভবিষ্যতের শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প খাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা জরুরি। একাডেমিক জ্ঞান ও শিল্পক্ষেত্রের বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি হলে শিক্ষার্থীরা যেমন কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন, তেমনি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ পাবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত এ ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিক কোলাবোরেশন প্রোগ্রামে দেশের বিভিন্ন খাতের শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০জন প্রতিনিধি অংশ নেন। এর মধ্যে ছিলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, আবুল খায়ের গ্রুপ, বেটোপিয়া গ্রুপ, টেলিটক, ইনোফিক্স আইটি সলিউশনস লিমিটেড, বেনকিউ, টেকনোডেরা, টিপি-লিংক বাংলাদেশ, সিঙ্গার, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, রাজবাড়ী জুট মিলস লিমিটেড, গ্রামীণফোন, আকিজ রিসোর্স, মেটাডোর ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, বিকাশ, বিআরবি কুষ্টিয়া, ডিবিসি নিউজ, গোল্ডেন জুট এবং ব্র‍্যাক-এর প্রতিনিধিরা।

পড়ুন:হেলমেট ছুড়ে ফেললেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন