​গাইবান্ধা সরকারি কলেজের মূল ফটক ঢেকে রাজনৈতিক সংগঠনের তোরণ নির্মাণ

১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ গাইবান্ধা সরকারি কলেজের মূল ফটক ঢেকে রাজনৈতিক সংগঠনের তোরণ নির্মাণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখা। একই সাথে এ ঘটনায় কলেজ প্রশাসন কর্তৃক তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনকে সময়োপযোগী ও সঠিক পদক্ষেপ হিসেবে সাধুবাদ জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিজ্ঞাপন

​বুধবার (০৭ অক্টোবর ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো ছাত্রদলের কলেজ শাখার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়।
​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ই অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অনার্স প্রথম বর্ষের (২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ) নবীনবরণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখা কোনো ধরনের প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়াই প্রতিষ্ঠানের মূল ফটক সম্পূর্ণ ঢেকে একটি বিতর্কিত গেট নির্মাণ করে। একটি সর্বজনীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল ফটক দখল বা ঢেকে দিয়ে এ ধরনের দলীয় আধিপত্য বিস্তারের অপচেষ্টা সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনুভূতির ওপর চরম আঘাত।
​এতে আরও বলা হয়, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে প্রত্যেকের নিজ নিজ রাজনৈতিক চর্চার অধিকার থাকলেও তা অবশ্যই প্রাতিষ্ঠানিক ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখে হওয়া উচিত, ঐতিহ্যকে বিলীন করে নয়।

এদিকে, গাইবান্ধা সরকারি কলেজের প্রধান ফটকে কলেজের নাম ঢেকে অনুমোদনহীনভাবে গেট বানানোর বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আমলে নিয়েছে কলেজ প্রশাসন। ৭ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের স্মারক নং গাসক/২০২৬/মূলে কলেজ অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ৩ জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক আগামী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে অধ্যক্ষর নিকট লিখিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের দ্বায়িত্বশীল কারো সাথে যোগাযোগ করে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ দিকে ​কলেজ প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রদল জানায়, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগ, ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণের পবিত্রতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ছাত্রদল সর্বদা সোচ্চার থাকবে এবং এই তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বাস্তবায়ন দেখতে চায়।

পড়ুন: ল্যাবকর্মীর মৃত্যু ঘিরে প্লেগ আতঙ্ক, ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কতটা

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন