কালিয়াকৈরে রাতে তুরাগ নদীতে ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ শিকারবিরোধী অভিযান

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় তুরাগ নদীতে রাতে ইলেকট্রিক শক দিয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।

বিজ্ঞাপন

অভিযানে মাছ শিকারের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে। তবে অভিযান টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে উপজেলার তুরাগ নদীর বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম ফখরুল হোসাইন।

অভিযান প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম ফখরুল হোসাইন বলেন, ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ শিকার সম্পূর্ণ অবৈধ এটি জলজ পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ পদ্ধতিতে মাছ শিকারের ফলে মাছের পাশাপাশি নদীর অন্যান্য জলজ প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মৎস্যসম্পদ ও জলজ পরিবেশ রক্ষায় অবৈধভাবে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ, উপজেলা মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা সহযোগিতা করেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, ইলেকট্রিক শক দিয়ে মাছ শিকার রিং জাল ও কারেন্ট জালের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর। এতে মাছের পাশাপাশি জলজ কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর ব্যাপক ক্ষতি হয়। একই সঙ্গে নদীর স্বাভাবিক জলজ বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইলেকট্রিক শকসহ সব ধরনের অবৈধ উপায়ে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে।

উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে নদ-নদী ও জলাশয়ে অবৈধভাবে মাছ শিকার না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের তথ্য পেলে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

পড়ুন: ল্যাবকর্মীর মৃত্যু ঘিরে প্লেগ আতঙ্ক, ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কতটা

আর/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন