সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ৮ উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে খেলতে নেমে সফরকারীরা বেশি দূর এগোতে পারেনি। সকালে আরও ৮ দশমিক ৩ ওভার ব্যাট করে ২৯ রান যোগ করতেই বাকি দুটি উইকেট হারায় তারা। শেষ পর্যন্ত ৯২ দশমিক ৩ ওভারে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যায়।
দিনের শুরুতে অষ্টম উইকেটে নাঈম হাসান ও তাইজুল ইসলাম কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। দুজনে মিলে গড়েন ৩০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। তবে দলীয় ৩৩৫ রানের মাথায় মোহাম্মদ সেলিমের লেগ স্টাম্পের বাইরের শর্ট বলে গ্লাভস ছুঁয়ে উইকেটকিপার ইকরাম আলিখিলের গ্লাভসবন্দি হন ২০ বলে ৯ রান করা তাইজুল।
এরপর শেষ ব্যাটার হিসেবে মাঠে আসেন এবাদত হোসেন। তিনি নাঈমকে সঙ্গী করে আরও ১১ রান যোগ করলেও ৭ বল খেলে রানের খাতা খুলতে পারেননি। ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের বলে জিয়াউর রহমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে ৬৭ বলে ৪টি চার মেরে ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন টেল-এন্ডার নাঈম হাসান।
এর আগে শুক্রবার টেস্টের প্রথম দিনে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে তানজিদ হাসান ও সাদমান ইসলাম ১২৪ রানের শক্ত ভিত গড়ে দেন। তানজিদ ৭১ বলে ৮৩ এবং সাদমান ১১১ বলে ৬৭ রানের ইনিংস খেলেন। তবে সূচনাটা শুভ হলেও এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। মুমিনুল হক ৩৯, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২৯ এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ২৪ রান করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। সিনিয়র ব্যাটার মুশফিকুর রহিম রান না করেই আউট হন। মাঝে লিটন দাসের খেলে দেওয়া ৫৩ রানের লড়াকু ফিফটি বাংলাদেশকে তিনশ পেরোনো সংগ্রহ এনে দেয়।
আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন পেসার মোহাম্মদ সেলিম। তিনি ৮২ রান খরচায় শিকার করেন ৪টি উইকেট। এছাড়া ইয়ামিন আহমাদজাই ৭৯ রানে ৩টি, ইসমত আলম ২০ রানে ২টি এবং স্পিনার কাইস আহমেদ ৬০ রান দিয়ে ১টি উইকেট ঝুলিতে পুরেন।
পড়ুন : প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরীক্ষা স্থগিত, সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ
সা/


