ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অজিঙ্ক শিন্ডে আগামীকাল রোববার দিল্লির আবার যন্তর মন্তরের উদ্দেশে মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছেন।
সিজেপির ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে শিন্ডে লেখেন, মোদি সরকার ভয় পাচ্ছে। আমরা আবার একজোট হলে তাদের ক্ষমতার গদি টলে যেতে পারে।
কিন্তু আমরা পিছু হটছি না! আগামীকাল আবার যন্তর মন্তরের উদ্দেশে মিছিল করব। আমাদের সব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করব।
একই পোস্টে তিনি একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বার্তাও যুক্ত করেন।
মমতা ও কেজরিওয়ালকে ছেড়ে দিয়েছে দিল্লির পুলিশ
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। দিল্লিতে সিইসির পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে আজ তাঁদের আটক করা হয়েছিল।
আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, আজ শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে মমতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে আটক বাকি তৃণমূল নেতাদেরও ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কেজরিয়ালকেও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জাফরপুর কালান পুলিশ স্টেশন থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ভারতের পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল এবং আজ পর্যন্ত সাত হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এমন অভিযোগ করে একটি এফআইআর দায়ের করা হবে। ধারণা করা হচ্ছে, আটকৃতদের পরবর্তীতে গ্রেপ্তার দেখানো হবে।
গণগ্রেফতার করেও প্রতিবাদ থামানো যাবে না— রাহুল গান্ধির হুঁশিয়ারি
পুলিশ দিয়ে হয়রানি কিংবা গণগ্রেফতার করেও রাজধানী দিল্লিতে চলমান প্রতিবাদ থামানো যাবে না বলে জানিয়েছেন ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধি। বিজেপিকে চাপে ফেলার মতো যথেষ্ট তথ্য তার কাছে আছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তরুণদের প্রতিবাদ পাশে থাকার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) এক এক্স বার্তায় রাহুল গান্ধী এ কথা লেখেন।
রাহুল লেখেন, আমি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নরেন্দ্র মোদি এবং আরএসএসের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছি। আপনি যেভাবে আপনার প্রতিপক্ষকে বুঝবেন, আমি তাদের ঠিক সেভাবেই বুঝি—একদম ভেতর থেকে, আমার হাতের তালুর মতো। এই লোকগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য হলো কাপুরুষতা।
নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, মোহন ভাগবত, জ্ঞানেশ কুমার এবং অজিত দোভাল—এই গল্পের খলনায়কেরা—ধীরে ধীরে দেখতে পাচ্ছেন যে তাদের চারপাশের জায়গা ছোট হয়ে আসছে। আমরা সেই জায়গা ছোট করে আনছি।
তিনি আরও লেখেন, আমার কথা লিখে রাখুন, আমাদের যে তথ্যের দরকার তা ইতোমধ্যে আমরা পেয়ে গেছি। আমরা আমাদের সংবিধানকে রক্ষা করব। আমরা ভারতীয়দের বাক স্বাধীনতাকে রক্ষা করব। আমরা একই সঙ্গে নিশ্চিত করব, গত ১৫ থেকে ১৬ বছরে ভারতে যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি আর হবে না।
তরুণদের প্রতি সমর্থন আছে উল্লেখ করে রাহুল গান্ধী রেখেন, ভারতের তরুণরা, তোমাদের নিয়ে আমি গর্বিত। আন্দোলন অব্যাহত রাখো। আমরা তোমাদের পাশে দাঁড়াচ্ছি।
পড়ুন : কে এই নেহা বোরা? মুক্তি দিতে বাধ্য হলো ভারত সরকার


