আজ বিজয়া দশমী। পূজা, পুষ্পাঞ্জলি ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আজ শেষ হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ দিনের আনুষ্ঠানিকতা। পূজার সূচি অনুযায়ী, সকালে দশমী পূজার পুষ্পাঞ্জলি ও পূজা সমাপন হয়েছে। এবার প্রতিমা নিরঞ্জনের (বিসর্জন) শুভক্ষণ বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে শুরু হয়।
জেলায় সনাতন ধর্মালম্বীদের বিজয়া দশমীতে সিঁদুর খেলার মধ্যদিয়ে ৪৪৪ টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজা শেষ হলো।
আজ বুধবার সকালে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠেন ভক্তরা। জেলায় নিরবচ্ছিন্ন ভাবে পূজা মণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসবে পালিত হয়েছে।
সুনামগঞ্জের ষোলঘর রামকৃষ্ণ আশ্রমের পুরোহিত হ্রদয়ানন্দ মহারাজ বলেন, ‘এবার ষষ্টী পুজার মাধ্যমে দুর্গোৎসব শুরু হয়। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভক্তদের প্রতিমা বিসর্জনের পূজা এবং সিঁদুর খেলার মধ্যদিয়ে শেষ হয় এ উৎসবের’।
জেলা পৌর শহরের সব মণ্ডপের দুর্গাদেবী রাত পর্যন্ত চলবে বিসর্জন পৌর শহরের সুরমা নদীর রিয়ারভিউ থেকে। এছাড়াও জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়ন জগন্নাথ আখড়া থেকে কুশিয়ারা নদীর খেয়াঘাটে দুর্গাদেবীকে বিসর্জন দেওয়া হয়।
উপজেলার নলজুর ও বরাঙ্গ নদীসহ বিভিন্ন নির্ধারিত স্থানে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। বিসর্জন নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি অ্যাড গৌরাঙ্গ পদ দাস জানান, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে জেলার শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতাও শেষ হয়েছে।
পড়ুন : খালার বাড়িতে বেড়াতে এসে সোমেশ্বরীর স্রোতে ভেসে গেল সিফাত


