ঢাকার ধামরাইয়ে ২৩৫টি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন হয়েছে। পূজার শুরু থেকে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর না পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী ও সাধারণ মানুষ। উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন, ঢাকা জেলা পুলিশ, আনসার-ভিডিপি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা।
উৎসবের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিল উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল মামুনের নেতৃত্বে পূজামণ্ডপগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। এ কাজে প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারাও যুক্ত ছিলেন।
অন্যদিকে, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদার নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বিভিন্ন পূজামণ্ডপে পুলিশ ও আনসার-ভিডিপির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি টহল ও নজরদারি জোরদারের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হয়।
পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা বলেন, ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে উদ্যাপনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন এবং জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাঁরা ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ ছাড়া ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন, ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এবং ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন তাঁরা।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা বলেন, ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। ধামরাইয়ে এবারের দুর্গাপূজায় প্রশাসন, পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা গেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তাঁরা প্রত্যাশা করেন।
পড়ুন: সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গোলাগুলি
আর/


