দুইবারের সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান গ্রেপ্তার, জামিন নামঞ্জুর

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মেহেরপুর-১ আসনের দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ রেজা এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে রোববার ভোর ৬টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ বাসা থেকে আব্দুল মান্নানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মাসুদুর রহমান তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে, সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের পক্ষে তার আইনজীবী আল ইমরান মুকুল আদালতে জামিনের আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে শুনানির সময় আব্দুল মান্নানকে আদালতের এজলাসে হাজির করা হয়নি।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ১৮ জুন সকালে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার মহাখালী বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী মিছিল বের করেন। ওই মিছিল থেকে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই দিনই তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ জাহিদুল হক বাদী হয়ে মামলা করেন।

পরে ওই মামলায় আব্দুল মান্নানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলাটিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নোয়াখালীতে পুকুরে গোসলে নেমে দুই বোনের মৃত্যু

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন