নবাবগঞ্জে কবরস্থানের জমি দখলে নেওয়ার অভিযোগ সভাপতির বিরুদ্ধে

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার সমসাবাদ পানালিয়া কবরস্থানের জমি নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। কবরস্থানের লাশঘরসহ পেছনের চার শতাংশ জমি পারিবারিক কবরস্থানের অংশ দাবি করে দখলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কবরস্থানটির সভাপতি শাহ আলমের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত সমসাবাদ পানালিয়া কবরস্থানটি এলাকার মানুষের মরদেহ দাফন ও শেষবিদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। অভিযোগ রয়েছে, কবরস্থানের জমিদাতা ইদ্রিস আলী বেপারীর ছেলে শাহ আলম কবরস্থানটির সভাপতি হওয়ার পর থেকে লাশঘরসহ পেছনের চার শতাংশ জমি পারিবারিক কবরস্থানের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কবরস্থান কমিটির এক সদস্য জানান, ১৯৯১ সালে ইদ্রিস আলী বেপারী কবরস্থানের জন্য ২৬ শতাংশ জমি দান করেন। তাঁর দাবি, দানপত্রে ২২ শতাংশ জমি সাধারণ কবরস্থানের জন্য এবং পূর্বদিকে অবশিষ্ট চার শতাংশ জমি পারিবারিক কবরস্থানের জন্য রাখার কথা উল্লেখ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন দলিল অনুযায়ী পূর্ব দিকে তাঁর পারিবারিক ৪ শতাংশ পাওয়ার কথা সরাসরি উল্লেখ থাকার পরও সে জোরপূর্বক পশ্চিম দিকে ঢাকা বান্দুরা আঞ্চলিক সড়কের পাশে অসৎ উদ্দেশ্যে ৪ শতাংশ যায়গা দাবি করছেন এবং অত্র কবরস্থানে তার নিজস্ব ৪ হাজার ইট এনে রেখেছেন,সেখান থেকে ২ হাজার বিক্রিও করেছেন । এ ছাড়া লাশঘরের ভেতরের একটি দরজা ইট দিয়ে বন্ধ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে এর আগে জোরপূর্বক মাটি ভরাট ও গাছ বিক্রির অভিযোগে নবাবগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কবরস্থান কমিটির সদস্য ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাঁদের দাবি, জমির দানপত্র, সীমানা ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করে বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান করা হোক। একই সঙ্গে কবরস্থানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সাধারণ মানুষের মরদেহ দাফনের সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

এবিষয় অভিযুক্ত শাহ আলমকে কল দিলে আমি ঢাকাতে আছি ব্যস্ত আছি পরে নিরিবিলিতে কল দিবেন বলে কলটি বিছিন্ন করে দেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বন্দরে ব্যবহারের আগেই ভাঙা পড়ল ১৬ লাখ টাকার শৌচাগার, দায় কার

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন