আইন ও সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারণ হবে এলপিজির দাম

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের প্রস্তাব ও কারিগরি মূল্যায়ন দলের প্রতিবেদন বিবেচনায় নেওয়া হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত পর্যালোচনা করবে কমিশন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, এলপিজির দামের বিষয়ে গণশুনানির পর লিখিত মতামত ও প্রস্তাব আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত কমিশনে জমা দেওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিইআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বেসরকারিভাবে বাজারজাত এবং সরকারিভাবে সরবরাহ করা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ভোক্তা পর্যায়ের দাম পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম)  ফাউন্ডেশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৬) ধারা অনুযায়ী এ শুনানির আয়োজন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুনানিতে রাষ্ট্রায়ত্ত এলপি গ্যাস পিএলসি, বেসরকারি আবেদনকারী, অপারেটর, পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা এবং অটোগ্যাস স্টেশনের প্রতিনিধিরা তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেন। কমিশন গঠিত কারিগরি মূল্যায়ন দলও তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন উপস্থাপন করে।

কারিগরি মূল্যায়ন কমিটির পক্ষ থেকে ভোক্তা পর্যায়ে দাম নির্ধারণের আইনি দিক, কমিশনের দায়িত্ব এবং দাম নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করা হয়।

এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ভোক্তা এবং অন্যান্য অংশীজন শুনানিতে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

পড়ুন:কেরানীগঞ্জে হান্ডা কোম্পানির অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনে জমি হস্তান্তর

ইমি/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন