গাইবান্ধায় জমি নিয়ে বিরোধ: ফজরের নামাজ পড়ে ফেরার পথে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১৭

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বসতবাড়ির জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে মকবুল হোসেন (৭০) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নারীসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে লাঠিসোঁটা, ধারালো ছোরা ও সাবল উদ্ধার করা হয়েছে।
​গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপজেলার চণ্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সীচা ছাতিনামারী গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত মকবুল হোসেন ওই গ্রামের মৃত ফেলান উদ্দিনের ছেলে।
​
​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ১৬ শতক বসতবাড়ির জমি নিয়ে মকবুল হোসেনের সঙ্গে একই গ্রামের শাহাবুদ্দিন মিয়ার বিরোধ চলে আসছিল। এ বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ধুবনী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সালিস বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
​
​পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ফজরের নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন মকবুল হোসেন। পথিমধ্যে ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষরা তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাঁদেরও মারধর করা হয়। হামলায় আহত কয়েকজনকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
​
​ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সুন্দরগঞ্জ থানা ও কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং জড়িত সন্দেহে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত লাঠিসোঁটা, ধারালো ছোরা ও সাবল জব্দ করা হয়।
​মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেলিম রেজা নাগরিক টেলিভিশন কে জানান, “নিহত বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বাদী হয়ে ২৩ জনের নাম ও অজ্ঞাত ১০-১২ জনের নামে মামলা দায়ের করেছে। ইতোমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ১৭ জন গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন:চট্টগ্রামে ৭৫ বছরের বৃদ্ধাকে হত্যা: ঘাতক ভাড়াটিয়া রিফাত ২৪ ঘণ্টায় খাঁচায়!

ইমি/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন