সাপে কামড় দেওয়ার পর সেই সাপটিকেই জ্যান্ত ধরে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন আব্দুল কাদের (৫০) নামের এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেে এ ঘটনা ঘটে। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসকেরা জানান, তাঁকে কামড় দেওয়া সাপটি বিষধর নয়।
আব্দুল কাদের ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার আঙ্গারগাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিন মন্ডলের ছেলে।
আব্দুল কাদের জানান, বৃহস্পতিবার রাতে আঙ্গারগাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। পথে একটি সাপ তাঁকে কামড় দেয়। পরে মুঠোফোনের আলো জ্বালিয়ে সাপটিকে খুঁজে বের করে ধরে ফেলেন তিনি। এরপর স্থানীয় লোকজনকে ডাকাডাকি করে জড়ো করেন। তাঁদের সহযোগিতায় একটি প্লাস্টিকের বস্তায় সাপটিকে ভরে চিকিৎসা নিতে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলে আসেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বলেন, ‘লোকটির সাহস দেখে অবাক হয়েছি। তিনি জ্যান্ত সাপ ধরে হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেছে, সাপটি বিষধর নয়। তাই তাঁর শরীরে অ্যান্টিভেনম দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। তবে পর্যবেক্ষণের জন্য তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, কাউকে সাপে কামড়ালে সাপ ধরতে না গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে আসার পরামর্শ দেন তিনি। তবে সাপকে ধরতে যাওয়া আরও বিপদজনক। এতে করে হিতে বিপরীত হতে পারে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা সেলিম কবির বলেন, রাত পৌনে নয়টার দিকে আব্দুল কাদের জ্যান্ত সাপ নিয়ে হাসপাতালে আসেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাপটি দেখতে হাসপাতালে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। কেউ কেউ ওই ব্যক্তিকে সাহসী পুরুষ বলে মন্তব্য করেন। পরে রোগীর স্বজনেরা একজন সাপুড়েকে ডেকে আনেন। ওই সাপুড়ে সাপটি নিয়ে যান।
পড়ুন : নাঈম-মিরাজের স্পিন ঘূর্ণিতে ২৪৫ রানে থামল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সা/


