খাগড়াছড়ি জেলা শহরের য়ংড বৌদ্ধ বিহারে নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় ১২১তম কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপিত হয়েছে। তিন মাসের বর্ষাবাস (উপোস) শেষে ধর্মীয় এ কঠিন চীবর দানোৎসব পালন করা হয়।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল থেকে য়ংড বৌদ্ধ বিহারে বুদ্ধ পুজা, পঞ্চশীল গ্রহণ, সংঘদান, অষ্ট পরিস্কার দান, হাজার বাতি দান ও ধর্ম দেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় কঠিন চীবর দানোৎসব। এতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে বিকেলে ধর্ম দেশনা দেন চট্টগ্রাম চাদগাও সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারের বিহার অধ্যক্ষ বৌদ্ধশ্রী থেরো।
সকালে কঠিন চীবরদানোৎসব প্রথম পর্বে উপস্থিত ছিলেন, অপরাজিতা বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ মিহিন্দা মহাস্থবির, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা প্রমূখ।
জগতের সকল প্রাণীর সুখ সমৃদ্ধি কামনা করে সকালে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, ফুল-ফল পুজা ও প্রার্থনা করে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বিরা ভান্তেকে ছোয়াইং প্রদান করে উৎসব পালনের মধ্য দিয়ে সন্ধ্যায় ভগবান বৌদ্ধের উদ্দেশ্যে আকাশে প্রদীপ (ফানুস) উড়ানোর ও হাজার প্রদীপ জ্বালিয়ে জগতের সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনা করা হবে।
কঠিন চীবর দানোৎসব মুলত, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধানতম ধর্মীয় মাসব্যাপী কর্মীয় অনুষ্ঠান। আষাঢ়ি পূর্ণিমার পর দিন থেকে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের তিন মাসব্যাপী ওয়া বা বর্ষাব্রত (উপোষ) পালনের ৩ মাস পর হয় প্রবারণা পূর্ণিমা। তার পর থেকে বিহারে বিহারে শুরু কঠির চীবর দানোৎসব।
২৪ ঘন্টার মধ্যে তুলা থেকে সুতা তৈরী ও সেই সুতায় চীবর তৈরী করে চিবর ভান্তেদের উদ্দেশ্যে দায়ক-দায়িকারা উৎসর্গ (দান) করেন। এই কঠিন চীবর দানোৎসব মুলত উদ্দেশ্য একটাই বুদ্ধের সন্তুষ্টি অর্জন করা।
পড়ুন : শীতের নতুন সবজি আসলেও রাজধানীতে চড়া দামের উত্তাপ
সা/


