এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: পাসের হার ৫২.১২, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা বিগত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।

বিজ্ঞাপন

চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫১.৬২ শতাংশ, মাদরাসা বোর্ডে ৬১.০৭ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪৯.৪৩ শতাংশ।

ঢাকা বোর্ড: পাসের হার ৬১.৮০%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬,৭১৪ জন। চট্টগ্রাম বোর্ড: পাসের হার ৫২.০৭%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২,৯২১ জন। ময়মনসিংহ বোর্ড: পাসের হার ৫১.৪৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২,১৩৭ জন। সিলেট বোর্ড: পাসের হার ৫০.৯০%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১,২০৪ জন। কুমিল্লা বোর্ড: পাসের হার ৪৮.০৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১,৩১৩ জন। রাজশাহী বোর্ড: পাসের হার ৪৫.০৬%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪,৫২০ জন। দিনাজপুর বোর্ড: পাসের হার ৪৫.৯৮%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২,৯৫৩ জন। যশোর বোর্ড: পাসের হার ৪৪.৯২%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩,২২৮ জন। বরিশাল বোর্ড: পাসের হার ৪৪.৮৪%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৫০ জন। মাদরাসা বোর্ড: পাসের হার ৬১.০৭%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩,২৫০ জন। কারিগরি বোর্ড: পাসের হার ৪৯.৪৩%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৮৬ জন।

ফল বিপর্যয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চিত্র

গত বছরের তুলনায় এবারের ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি ঘটেছে। গত বছর পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ থাকলেও এবার তা ৬.৭১ শতাংশ কমে ৫২.১২ শতাংশে নেমেছে। সেই সঙ্গে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও ২৯ হাজার ১৩ জন কমেছে। এ বছর ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি, যা গত বছরের তুলনায় ৯১টি বেশি। অন্যদিকে, শতভাগ পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৩৯টি।

এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের বিশেষ সুযোগ

ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এবারের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থীকে বিশেষ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এক বছর অপেক্ষা না করিয়ে আগামী এক মাসের মধ্যেই শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন তারা।

পড়ুন : এইচএসসির ফল প্রকাশ আজ, জানা যাবে যেভাবে 

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন