পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ এ এগিয়ে ছেলেরা

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। প্রকাশিত ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় লক্ষ্য করা গেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে, যা বিগত ২১ বছরের (২০০৪ সালের পর) মধ্যে সর্বনিম্ন।

বিজ্ঞাপন

চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন, যাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী। ফলাফলের বিশ্লেষণে দেখা যায়, কেবল ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়েই ফেল করেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন (ইংরেজিতে ২,৪৩,৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১,৩৮,৪৯৩ জন)। এছাড়া মোট জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় ২৯ হাজার ১৩ জন কম।

এ বছর সারাদেশে মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এর মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন এবং ছাত্র ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার মাত্র ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের দিক থেকে ছাত্রদের চেয়ে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা।

সারাদেশে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন, যা গত বছরের (৬৯,০৯৭ জন) তুলনায় প্রায় ৪২ শতাংশ কম। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের সংখ্যা কিছুটা বেশি। মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৭২১ জন ছাত্রী। অর্থাৎ জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছাত্রীদের চেয়ে ৬৪২ জন এগিয়ে রয়েছেন ছাত্ররা।

ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুরো এক বছর অপেক্ষা করতে হবে না। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই ফেল করা বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার বিশেষ সুযোগ তৈরি করা হবে। পরীক্ষার্থীরা যতটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন, ঠিক ততটি বিষয়েই এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

পড়ুন : এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন