গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভে আবারও উত্তাল হয়ে উঠেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ ও মৌচাক এলাকায় চতুর্থ দিনের মতো মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
এতে মহাসড়কের উভয় পাশে হাজার হাজার যানবাহন আটকা পড়েছে। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রী, কর্মজীবী মানুষ, পরিবহন শ্রমিক ও সাধারণ পথচারীরা।
শ্রমিকদের অবরোধের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকা যাত্রীরা গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ, রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
এদিকে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে মজুরি বোর্ড গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এরপরও কেন শ্রমিকরা আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
শ্রমিকদের দাবি ও সরকারের উদ্যোগের মধ্যে সমন্বয় করে দ্রুত সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
মহাসড়কে দীর্ঘ সময় যানবাহন আটকে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা। তাঁদের প্রশ্ন, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে এই ভোগান্তির শেষ কোথায়? শ্রমিকদের দাবি আদায়ের পাশাপাশি জনদুর্ভোগ কমাতে সরকার, মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।
সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া এ আন্দোলন চলাকালে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী যাত্রীরা।
পড়ুন : ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
সা/


