গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের পরিবারের পাশে ‘লায়লা স্টাইলস’

​গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন চলাকালে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত গার্মেন্টসকর্মী তৌফিক হোসেনের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে তার কর্মস্থল ‘লায়লা স্টাইলস লিমিটেড’। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের বেদখল হওয়া ভিটেবাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তৌফিকের স্ত্রীকে চাকরি এবং সদ্য জন্ম নেওয়া সন্তানের দায়িত্ব নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

​আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া গ্রামে তৌফিকের বাড়িতে যান লায়লা স্টাইলস লিমিটেডের একটি উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদল।​সকালে তৌফিকের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা প্রথমে তাঁর কবর জিয়ারত করেন এবং আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এরপর তারা নিহত তৌফিকের স্ত্রী সেতু মনি, ভাই হারুন উর রশীদসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে দেখা করে গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
​
​পরিবারটির অনিশ্চয়তা দূর করতে এ সময় লায়লা স্টাইলস লিমিটেডের ডিজিএম (এইচআর অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স) মো. শামীম ফেরদৌস নিহতের স্ত্রীর হাতে নগদ ২ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি, স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে সম্প্রতি বিক্রি করা তৌফিকের বসতভিটার জায়গাটি পুনরায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয় কোম্পানিটি। জমিটি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানটির সিএফও মিন্টু সাহার পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ৬০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা পরিবারের হাতে হস্তান্তর করা হয়।
​
​প্রাথমিক সহায়তার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিহত তৌফিকের স্ত্রীকে লায়লা স্টাইলস লিমিটেডে চাকরি দেওয়া হবে এবং তার সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর লালন-পালন ও ভবিষ্যতের সব দায়িত্ব নেবে কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতেও এই পরিবারের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জোরালো আশ্বাস দেন কোম্পানির কর্মকর্তারা।

​এ সময় লায়লা স্টাইলস লিমিটেডের সিএফও মিন্টু সাহা, ডিজিএম (এইচআর অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স) মো. শামীম ফেরদৌসসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিএনপি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই কৃষিবান্ধব: কৃষিমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন