পাবনার বেড়ায় মন্টু ও জিন্নাহর নেতৃত্বে বাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ

পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুরে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তির বাড়িতে প্রবেশ করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন আত্মীয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্ত্রীসহ পরিবারের কয়েকজনের বিরুদ্ধে আমিনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী মো. আকাশ হোসাইন। অভিযোগে প্রায় ১৬ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাবনার আমিনপুর থানার পুরানভারেঙ্গা ইউনিয়নের চরকল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আকাশ হোসাইন ২০১৩ সালে মোছা. হালিমা খাতুনকে বিয়ে করেন। তাঁদের সংসারে রয়েছে দুই কন্যাসন্তান।

অভিযোগকারীর দাবি, বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে একাধিকবার পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো সুফল পাননি তিনি।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ২৯ অক্টোবর পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁর স্ত্রী মামার বাড়িতে চলে যান। এরপর রাত আনুমানিক ১টার দিকে অভিযুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরে থাকা নগদ ৭ লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ টাকা এবং আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল, যার আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ টাকা, নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার সময় অভিযোগকারী বাড়িতে ছিলেন না। পরবর্তীতে তিনি বাড়িতে এসে বিষয়টি জানতে পারেন।

এ ছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এমনকি বাড়িঘর ভেঙে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাঁর।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মো. আকাশ হোসাইন।

তবে অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: টুকু

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন