১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান। ওই দিনের ঘটনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে বন্দর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি আবুল কালাম বলেন, ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তির মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার নতুন অধ্যায় সূচিত হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁর নেতৃত্বে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়েই নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিবানী সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন তোতা, বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিনসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
এর আগে উপজেলা পরিষদে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
পড়ুন : নওগাঁয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ


