বাংলাদেশের জন্য হতাশার এক দিন। সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনে ৭৯ ওভার ব্যাটিং করে ৩৩৮ রান করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। উইকেট হারিয়েছে ৩টি। দলটির সব মিলিয়ে রান এখন ৩ উইকেটে ৩৪৫। লিড ৩১৫ রানের। উইকেটে আছেন সেঞ্চুরিয়ান হজ, ১৪০ রানে অপরাজিত তিনি। আমির জাঙ্গু অপরাজিত ২০ রানে।
টেস্টে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জিতেছে ২০০৯ সালে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেই ম্যাচে চতুর্থ ইনিংসে ২১৫ রান তাড়া করে জিতেছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আর কোনো ম্যাচ ২০০ রানের বেশি তাড়া করে জিততে পারেনি।
কাকে রেখে কাকে বোলিং করাবেন নাজমুল হোসেন শান্ত? কে দেবেন ব্রেক থ্রু? কে রানের চাকায় লাগাম টানবেন? উত্তরগুলো খুঁজেই পাচ্ছেন না বাংলাদেশের অধিনায়ক!
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটাররা সিলেটের ২২ গজে যেভাবে অনায়েসে রান তুলছেন তাতে প্রবল চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের লিড তিনশ ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশের বোলিংয়ে কোনো বিষ নেই। নেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের ঝলক। তাইতো রান পেতে একটুও কষ্ট পেতে হচ্ছে না কেভাম হজ ও আমির জাঙ্গুর।
চতুর্থ উইকেটে এরই মধ্যে তাদের জুটির রান পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে। ৩ উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলীয় রান ৩৩৬। লিড ৩০৬ রানের।
প্রথম ইনিংসে হাসেনি কাভেম হজের ব্যাট। মাত্র ১ রান করে হাসান মাহমুদের বলে বোল্ড হয়ে ফিরেছিলেন সাজঘরে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে জেগে উঠলেন। বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে করলেন ওয়ানডে মেজাজে ব্যাটিং। আর তাতেই তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি।
তবে তিনি সেঞ্চুরি করার পরই আউট হলেন কেভিন উইক্যাম ৭৮ রান করে। ২৮৪ রানে তৃতীয় উইকেট হারালো ক্যারিবিয়রা। তাইজুলের বলে তাকেই ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। নিজের বলে ঝাঁপিয়ে দারুণ এক ক্যাচ নিয়েছেন তাইজুল। উইকহ্যামের বিদায়ে ভেঙেছে ১৬৫ রানের জুটি।
রোববার (৮ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কিছুক্ষণ আগে ১৪২ বলে সেঞ্চুরি আদায় করে নিয়েছেন স্বাগতিক বোলারদের শাসন করে। কোনো বোলারই পাত্তা পায়নি তার সামনে।
এখন পর্যন্ত ১১ চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। তাওহিদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরির পর যেখানে এগিয়ে থাকার কথা ছিল বাংলাদেশের। সেই মোমেন্টাম পুরোপুরি ঘুরে উইন্ডিজের দিকে চলে গেছে হজের সেঞ্চুরিতে।
পড়ুন : ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩০ রানের লিড পেল বাংলাদেশ


