ওয়াশিংটন আমদানিকৃত চীনা পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কয়েক মিনিটের মধ্যে আমদানিকৃত মার্কিন পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্প আরোপ করেছে বেইজিং। মঙ্গলবার থেকে এই শুল্ক কার্যকরও করা হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বর্ধিত শুল্ক কার্যকর হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কয়লা ও এলএনজি গ্যসের ওপর অতিরিক্ত ১৫ শতাংশ এবং অপরিশোধিত তেল, কৃষিকাজের যন্ত্রপাতি এবং গাড়ির ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক জারি করে বেইজিং।
পৃথক এক বিবৃতিতে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন থেকে টাংস্টেন, টেলুরিয়াম, মলিবডেনাম, রুথেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে। এই মূল্যবান ধাতুগুলো যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে চীন।
কানাডা, চীন ও মেক্সিকো যুক্তরাষ্ট্রের বড় তিনটি বাণিজ্যিক অংশীদার। গত শনিবার কানাডা, মেক্সিকো ও চীনা পণ্যে শুল্ক আরোপের আদেশ দেন ট্রাম্প। শনিবার এ-সংক্রান্ত তিনটি পৃথক নির্বাহী আদেশে সই করেন ট্রাম্প। তবে চীনের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তটি কার্যকর হলেও মেক্সিকো ও কানাডার পণ্যে শুল্ক আরোপ এক মাসের জন্য স্থগিত করেছেন ট্রাম্প। প্রতিবেশী এই দেশ দুটি অবৈধ অভিবাসী ও মাদক পাচার ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় আসার পর ট্রাম্প এ সিদ্ধান্ত নেন।
এদিকে চীনের পাল্টা শুল্ক ঘোষণার পর হংকং শেয়ারবাজারে উত্থান কিছুটা কমে গেছে, ডলার শক্তিশালী হয়েছে এবং চীনা ইউয়ান দুর্বল হয়েছে, যা অস্ট্রেলিয়ান ডলারকেও প্রভাবিত করেছে।
বিশ্লেষক গ্যারি এনজি বলেন, মেক্সিকো ও কানাডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সম্ভব হলেও চীনের ক্ষেত্রে বিষয়টি জটিল। এমনকি যদি দুই দেশ কিছু বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছায়, তবুও শুল্ক নীতিকে পুনরায় ব্যবহার করা হতে পারে,যা এই বছর বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করবে।
পড়ুন:মেক্সিকো-কানাডা-চীনা পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কারোপ
দেখুন:দাম কমাতে চিনি আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহারের সময় বাড়ছে
ইম/


