ট্রাম্প যুগে এসে ইউরোপের নেতারা যে বেশ বড় ধরনের ধাক্কার মুখে পড়েছে। তার প্রমাণ, সোমবার প্যারিসে অনেকটা তাড়াহুড়ো করেই ডাকা নিরাপত্তা সম্মেলন। নিজেদের ঐক্য ধরে রাখতে জোর চেষ্টা করছে ইউরোপের নেতারা।
ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র যে তাদের বাইরে রেখেছে, সেটা হয়তো তারা এখনও পুরোপুরি মেনে নিতে পারছেন না।

তবে ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির নাটকীয় পরিবর্তনে কীভাবে সাড়া দেওয়া হবে, সে বিষয়ে ইউরোপের নেতাদের মধ্যে বিভক্তিও আছে।
একদিকে রাজনৈতিক মতপার্থক্য অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক উদ্বেগ। এমন চাপের মুখে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যয় ও ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইউরোপ কি ঐক্যবদ্ধ হতে পারবে কিনা সেই প্রশ্ন রয়েই গেছে।
সেই সাথে ইউরোপ কি ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর মতো পদক্ষেপ নিতে পারবে; যা তাদের এই যুদ্ধের বিষয়ে আলোচনার টেবিলে একটা জায়গা করে দিতে পারে? তবে এই বিষয়টি নিশ্চিত, তারা একটা চেষ্টা করতে যাচ্ছে।
ইউরোপের নেতারা এই ভেবে চিন্তিত যে মস্কোর সঙ্গে শান্তি আলোচনায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁদের পাশাপাশি কিয়েভকেও বাদ দেবেন। আজ মঙ্গলবার সৌদি আরবে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকদের মধ্যে এক বিরল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে ইউক্রেনের বিষয়ে আসলে কী করা হবে, তা নিয়ে এখনও শতভাগ নিশ্চিত নয় ট্রাম্প প্রশাসন। সপ্তাহজুড়ে এ বিষয়ে তাদের মিশ্র বার্তা এসেছে। এই আবহে ইউরোপের একটা ছোট্ট সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
এনএ/


