রুশ সেনাবাহিনী ইউক্রেনে সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যেখানে এক রাতেই ৩৬০টি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। শনিবারের এই হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৬০ জনের বেশি।
আজ রবিবার (২৫ মে) ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহর ক্লাইমেঙ্কো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এক পোস্টে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, এটি ইউক্রেনের সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্য করে চালানো একটি পরিকল্পিত ও নিষ্ঠুর হামলা, যার উদ্দেশ্য ছিল হত্যা ও আতঙ্ক সৃষ্টি।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিশ্বের নীরবতা যুদ্ধ বন্ধ করতে সহায়ক হচ্ছে না, বরং পুতিনকে আরও উসকে দিচ্ছে। শনিবারের হামলা রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠা করে।”
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা আন্দ্রিয়ে ইয়েরমাকও এই আহ্বানকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেন, “মস্কো যুদ্ধ চালিয়ে যাবে, যতদিন তারা অস্ত্র উৎপাদন করতে পারবে। তাই রাশিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগ না করলে এই সংঘাত থামবে না।”
এদিকে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শুক্রবার ইউক্রেন রাশিয়ার দিকে অন্তত ৯৫টি ড্রোন ছুড়েছিল, যার মধ্যে ১২টি সরাসরি মস্কোর দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তবে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সবগুলো ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হয়। রুশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউক্রেনের এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় শনিবার রাতে পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে।
এনএ/


