১১/০২/২০২৬, ১৬:৪০ অপরাহ্ণ
28 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ১৬:৪০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

একীভূত হয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসছে দুর্বল ৬ ব্যাংক

একীভূত হয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে দুর্বল ৬ ব্যাংক। এগুলো হচ্ছে-ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক। আগামী জুলাইয়ের মধ্যে শেষ হবে এ প্রক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাংকের গভর্নর।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সংকটে পড়া ছয়টি ব্যাংকের সম্পদের (ঋণের) প্রকৃত আর্থিক চিত্র বের করতে নিরীক্ষা শুরু করেছে দুই বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়াং এবং কেপিএমজি। এসব ব্যাংক একীভূত, অধিগ্রহণ, অবসায়ন করা হবে নাকি মূলধন জুগিয়ে ও ঋণ আদায় জোরদার করে শক্তিশালী করা হবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে। ফলে নিরীক্ষা শেষে নির্ধারিত হবে এসব ব্যাংকের ভবিষ্যত।

আগামী ছয় মাসের মধ্যে এই বিশেষ নিরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। বহুপক্ষীয় ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এ কাজের জন্য অর্থ দিচ্ছে।

ব্যাংক ছয়টি হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শে এসব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্রমতে, আর্নেস্ট অ্যান্ড ইয়াং নিরীক্ষা করছে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংকের সম্পদের প্রকৃত মান। কেপিএমজির নিরীক্ষার আওতায় রয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংকের সম্পদ। এর মধ্যে চারটি ব্যাংকের মালিকানা ছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী এস আলমের হাতে। তাঁর মালিকানাধীন ব্যবসায়ী গোষ্ঠীটি এসব ব্যাংকের বড় অঙ্কের অর্থ নামে-বেনামে বের করে নেয়, যা এখন ফেরত আসছে না। গত আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কাল শনিবার খোলা সব সরকারি অফিস, ব্যাংকেও চলবে লেনদেন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন