গাজীপুর মহানগরী টঙ্গীর ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা শুরু করেছেন আমতলী কেরানিরটেক বস্তির বাসিন্দা আব্দুল খালেক। তার বিরুদ্ধে এলাকায় ব্যানার-ফেস্টুন টানিয়ে প্রচার চালালেও তাকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ কয়েকটি অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, খালেকের স্ত্রীর বিরুদ্ধেও দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। কেরানিরটেক বস্তিসহ আশপাশের বিভিন্ন মাদক স্পট তার নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয় বলেও অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, টঙ্গী এলাকার প্রতিটি স্পটে খালেকের সরবরাহ করা মাদক বিক্রি করতে বাধ্য করা হয়। কেউ তার দেওয়া মাদক বিক্রি না করলে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা দিতে হয়। স্থানীয়দের দাবি এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি অল্প সময়ে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২ মে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আব্দুল খালেক র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সম্প্রতি রিপোর্টারের হাতে আসা একটি কল রেকর্ডে খালেকের কণ্ঠ বলে দাবি করা অডিওতে শোনা যায়, “২০ হাজার পিস দিতাছি, কিভাবে বিক্রি করবি তর ব্যাপার।” কল রেকর্ডটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আব্দুল খালেকের মোবাইলে একাধিকবার
যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে ১০ শিশুর মৃত্যু
আর/


