বিজ্ঞাপন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভেদে ঈদের ছুটির সময় ও পরিমাণে ভিন্নতা

আসন্ন ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশকে ঘিরে লম্বা ছুটিতে যাচ্ছে দেশের সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে প্রতিষ্ঠানভেদে ছুটির সময় ও পরিমাণে রয়েছে ভিন্নতা। কেউ পাচ্ছে ২৫ দিনের বিশ্রাম, কেউবা মাত্র ১০ দিনের স্বল্পমেয়াদি ছুটি।

২০২৫ শিক্ষাবর্ষের সরকারি শিক্ষাপঞ্জি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে দীর্ঘ ছুটির সুযোগ পাচ্ছেন মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ছুটির মুখোমুখি হচ্ছেন সরকারি-বেসরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হবে ৩ জুন থেকে। ক্লাস শুরু হবে ২৩ জুন। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা টানা ২১ দিনের ছুটি পাবেন।

মাধ্যমিক স্তরে ছুটি শুরু হবে ১ জুন। ঈদ এবং গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে এটি চলবে ১৯ জুন পর্যন্ত। এরপর ২০ ও ২১ জুন শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ২২ জুন থেকে পুনরায় ক্লাস শুরু হবে। অর্থাৎ মোট ২৩ দিনের ছুটি থাকছে এই স্তরে।

সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলোতে ছুটি শুরু হবে ৩ জুন এবং শেষ হবে ১২ জুন। শুধুমাত্র ঈদের ছুটি থাকলেও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ এই স্তরে রাখা হয়নি। তাই মোট ছুটি মাত্র ১০ দিন।

সরকারি আলিয়া মাদরাসা এবং বেসরকারি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদরাসাগুলোতে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হচ্ছে ১ জুন থেকে। এটি চলবে ২৫ জুন পর্যন্ত। এরপর ২৬ জুন থেকে পাঠদান শুরু হবে। মাদরাসাগুলোর এই ২৫ দিনের টানা ছুটি শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী সর্বোচ্চ।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব প্রতিষ্ঠানেও ছুটি শুরু হচ্ছে ১ জুন থেকে এবং চলবে ১৯ জুন পর্যন্ত। পরবর্তী সময়ে সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ২২ জুন থেকে আবার ক্লাস শুরু হবে। এতে করে ছুটির সময় দাঁড়াচ্ছে মোট ২১ দিন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জির ভিত্তিতে এবারের এই ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। মূলত, শিক্ষাব্যবস্থায় বৈচিত্র্য থাকায় বিভিন্ন স্তরে ছুটির ভিন্নতা থাকলেও, সব শিক্ষার্থী ও শিক্ষক যেন ঈদের আনন্দ এবং অবকাশের স্বস্তি একসঙ্গে উপভোগ করতে পারে, সেই দিকটি মাথায় রেখেই সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদের ছুটি ১৯ দিন

দেখুন: ঈদের ছুটি ৫ দিন, ২০ এপ্রিল নির্বাহী আদেশে ছুটি

এস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন