যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমতি ছাড়া ইরানে হামলা চালাবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে ইসরাইল। তবে কোনো কারণে পারমাণবিক সমঝোতার আলোচনা ব্যর্থ হলে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদেক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেল আবিব।
বিষয়টি সম্পর্কে সরাসরি অবগত ইসরাইলের দুইজন কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলের কৌশলগত বিষয়কমন্ত্রী রন ডারমার, মোসাদের পরিচালক ডেভিড বার্নিয়া এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জাহি হানেগবিতা সম্প্রতি ওয়াশিংটন সফরে এই ট্রাম্প প্রশাসনকে এই আশ্বাস দিয়েছেন।
পরমাণু ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আলোচনার মাঝেই ইসরাইল তেহরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এ ধারণা নিয়ে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন উদ্বিগ্ন ছিল।
আলোচনা চলাকালীন কোনো সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছেন ট্রাম্প। তবে তিনি আরও বলেন, যদি তিনি মনে করেন যে, ইরানের সঙ্গে আলোচনা কোনো ফলপ্রসূ পথে এগোচ্ছে না, তাহলে একটি ফোন কলেই আমার অবস্থান পরিবর্তন হতে পারে।
ইসরাইলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তারা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, আলোচনার সফলতার সম্ভাবনা থাকলে কোনো সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের যৌক্তিকতা নেই।
একজন ইসরাইলি কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আমেরিকানদের শান্ত করেছি এবং বলেছি যে ভালো কোনো কূটনৈতিক সমাধান পাওয়া গেলে হামলার কোনো যুক্তি নেই। তাই আমরা আলোচনার ফলাফল পর্যন্ত অপেক্ষা করব এবং কোনো সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করব না, যতক্ষণ না আলোচনার সব পথ শেষ হয়ে যায় এবং হোয়াইট হাউসের দূত স্টিভ উইটকফ আলোচনার ব্যর্থতা ঘোষণা করেন।’
বেশ কয়েকসপ্তাহ ধরে পরোক্ষ আলোচনা চললেও পারমাণু ইস্যুতে এখনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। এর আগেই বুধবার, ইরানের নাগরিকের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ধারণা করা হচ্ছে এর প্রভাব পড়তে পারে দুই দেশের চলমান আলোচনাতেও।
এমন শঙ্কার মধ্যেই, চীন থেকে বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম পারক্লোরেট আমদানি করেছে ইরান, যা দিয়ে প্রায় ৮০০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি সম্ভব।
পড়ুন: গাজায় ঈদের আগের দিন ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৭০
এস


