বিজ্ঞাপন

গাংনীতে কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে সারের মূল্যবৃদ্ধি ও স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ প্রদানের দাবিতে কৃষকদলের স্মারকলিপি প্রদান

কৃষকদের ন্যায্য অধিকার ও কৃষি উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কৃত্রিম সংকটের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে গাংনী পৌর কৃষকদল। রাসায়নিক সারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও কৃষি ঋণে স্বল্প সুদের দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করে সংগঠনটি।

বিজ্ঞাপন

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাজমুল হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রেজানুল হক ইমন, গাংনী পৌর কৃষকদলের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম, কাথুলী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান খান মোহাম্মদ হোসাইনসহ কৃষকদল ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে আমন মৌসুম চলমান। এ সময়ে কৃষকেরা জমিতে চাষের জন্য ব্যাপক হারে টিএসপি, এমওপি ও ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে থাকেন। অথচ এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজারে সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে অধিক দামে সার বিক্রি করছে। ফলে কৃষি উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাচ্ছে, কৃষক মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে এবং অনেকেই আমন চাষে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।

কৃষকদলের নেতৃবৃন্দ বলেন, এই সংকট যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। কৃষক আজ তার ন্যায্য দাবি নিয়ে পথে নামতে বাধ্য হয়েছে। সরকার ও প্রশাসনের এখনই দৃষ্টি দেওয়া জরুরি, না হলে কৃষি উৎপাদন হ্রাস পাবে এবং কৃষক চাষাবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।

গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন স্মারকলিপি গ্রহণ করে বলেন, কৃষকদের দাবিগুলো আমরা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করব এবং তা ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের নিকট পাঠানো হবে। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে সার ও কীটনাশকের সরবরাহ ও মূল্যের বিষয়টি মনিটরিং আরও জোরদার করা হবে।

পরে নেতৃবৃন্দ জানান, যদি তাদের দাবির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে আন্দোলনের পরিধি আরও বিস্তৃত করা হবে।

পড়ুন: থানার ভেতর সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

দেখুন: ‘সবাই মিলে দড়ি ধরে টান দেয়ার সময় এসেছে’

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন