বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় হাবিব হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পাঁচ জনসহ গ্রেপ্তার ৬

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় ধান মাড়া্ই করার খলাকে কেন্দ্র করে হাবিব মিয়া হত্যার মামলার পাঁচ জন এজাহারনামীয় ও একজন সন্দিগ্ধ আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৪।

বিজ্ঞাপন

গ্রেফতারকৃত এজাহানামীয় পাঁচ আসামি হলেন- মৃত জয়নুলের ছেলে তারাব নুর (৩৫), ইজ্জত আলীর ছেলে আজিদ নুর (৫৫), আজিদ নুরের ছেলে সোহেল (২০), তারাব নুরের স্ত্রী ফারজানা (২৮) ও মৃত জয়নুরের ছেলে শামীম (২৮)। এছাড়া হত্যা মামলায় সন্দিদ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয় আজিদ নুরের ছেলে রাহেলকে (২০)। গ্রেফতারকৃত সকলেই খালিয়াজুরী উপজেলার বল্লী (নতুনপাড়া) এলাকার বাসিন্দা।

বুধবার (২ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-১৪ (সিপিসি-২) এর অধিনায়কের পক্ষে মিডিয়া অফিসার।

এরআগে একই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নেত্রকোনা পৌরশহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় পাঁচজন ও একজন সন্দিগ্ধ আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, ভুক্তভোগী হাবিব মিয়ার সাথে মামলার বিবাদীদের সাথে ধান মাড়াই করার খলা নিয়ে বিরোধ চলে আসতেছিল। গত ৩ এপ্রিল বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে বিবাদীগণ বাদীর ধান মাড়াই করার খলা চাছতে (পরিচর্যা) শুরু করলে ভুক্তভোগী বাধা নিষেধ করেন। এতে আসামিরা ভুক্তভোগীকে এলাপাথারী মারপিঠ করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী হাবিব মিয়াকে আহত অবস্থা খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বজনরা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার দিন রাত আনুমানিক ১০টার দিকে হাবিব মিয়াকে মৃত ঘোষনা করেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক। এরপর গত ৪ এপ্রিল ভুক্তভোগীর স্ত্রী মালা বেগম (৪০) বাদী হয়ে খালিয়াজুরী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পর থেকে র‌্যাবের কিশোরগঞ্জ ক্যাম্প ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং জাড়িদের আইনের আওয়তায় নিয়ে আসতে কার্যক্রম গ্রহণ করে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের কাজে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পড়ুন: নোয়াখালীতে করোনায় বৃদ্ধের মৃত্যু

দেখুন: আশ্রয়ণের ঘর বুঝে পায়নি দেড় শতাধিক পরিবার

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন