ঢাকার ধামরাইয়ে প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূ কে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী লিটন সরকার এর বিরুদ্ধে। এঘটনায় স্বামী লিটন সরকার কে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (২ আগস্ট) বিকেলের দিকে ধামরাই উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের গোমগ্রাম এলাকায় এঘটনা ঘটে।
নিহত পপি রানী সরকার উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের গোমগ্রাম এলাকার নরেশ সরকারের ছেলে লিটন সরকার এর স্ত্রী।
এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, রোববার (২ আগস্ট) পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী লিটন সরকার স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করেন। তাদের দাবি, ওই মারধরের কারণেই পপি রানীর মৃত্যু হয়েছে। মারধরের পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় পপি রানীকে কালামপুর হলি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ বাড়িতে আনা হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা অভিযুক্ত স্বামী লিটন সরকারকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে ধামরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। একই সঙ্গে লিটন সরকারকে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে থানায় আনা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় আট বছর আগে লিটন সরকার ও পপি রানী সরকারের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন ও পাঁচ বছর বয়সী দুই ছেলে সন্তান রয়েছে। লিটন সরকার নিজে মাদকাসক্ত এবং বিয়ের পর থেকেই প্রায়ই স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিসও হয়েছে।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বামী লিটন সরকারকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
পড়ুন : সরকারি রাস্তা নিয়ে বিরোধে হত্যা, ছাত্রশক্তির নেতা গ্রেপ্তার


