32.3 C
Dhaka
০৭/০৩/২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

৭ দিন পর সীমান্ত থেকে ফিরল কৃষক ইবরাহিমের লাশ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ঝাঁঝাডাঙা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত কৃষক ইবরাহিম বাবুর (২৮) মরদেহ ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল এক সপ্তাহ। অবশেষে ৭ দিন পর তার নিথর দেহ ফিরল নিজভূমে।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে দর্শনা সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহটি বাংলাদেশে হস্তান্তর করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বাংলাদেশের ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দর্শনা কোম্পানি কমান্ডার ও ভারতের ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গেদে কোম্পানির কমান্ড্যান্টের উপস্থিতিতে এই পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পরে ভারতের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগর থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ দর্শনা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদ তিতুমির জানান, “লাশটি আনুষ্ঠানিকতা শেষে নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।” বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর আসিফ।

গত ৩ জুলাই (বুধবার) দুপুরে ইবরাহিম বাবু তার গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান স্থানীয় ঝাঁঝাডাঙা সীমান্তের ৭৯ নম্বর পিলারের কাছে। এ সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

নিহত ইবরাহিম বাবু ঝাঁঝাডাঙা গ্রামের মো. নুর ইসলামের ছেলে। সংসারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর খবরে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এলাকাবাসী ও স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, “ইবরাহিমের কোনো দোষ ছিল না। সে তো কেবল গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়েছিল। সীমান্তে গুলি ছোড়া কেন? আমরা বিচার চাই।”

নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীরা এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, কূটনৈতিকভাবে প্রতিবাদ এবং সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চুয়াডাঙ্গার মুন্সীপুর সীমান্তে ১২ কেজি রূপার গয়না জব্দ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন