বিজ্ঞাপন

মেয়ে হত্যার অভিযোগে মায়ের মামলায় বাবা কারাগা‌রে

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাবার বিরুদ্ধে মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করলে পুলিশ বাবাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। এর আগে গত শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আইনুন নাহার আনিতা(২৬) একই গ্রামের আমির হোসেনের মেয়ে। তার আড়াই বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। এদিকে বাবা আমির হোসেন(৬০) আদালতে মেয়েকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে ঘটনানাটি জানাজানি হলে ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. আবদুল রব তালুকদার নাগ‌রিক টে‌লি‌ভিশ‌ন‌কে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,চার বছর আগে একই উপজেলার গোলাপনগরের বাসিন্দা মহিনের সঙ্গে আনিতার পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। তিন মাস আগে দাম্পত্য কলহের জেরে তিনি বাবার বাড়িতে চলে আসেন। এরপর স্বামীর সাথে বনিবনা হলে আনিতা আবারও একসাথে সংসার করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বাবা আমীর হোসেন এতে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। গত শনিবার সন্ধ্যার পর বাড়ি ফাঁকা পেয়ে রাগের বশে মেয়ের ব্যবহৃত ওড়না গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বাবা আমীর হোসেন। ঘটনার পরেরদিন মা তাসলিমা খাতুন বাদী হয়ে স্বামী আমির হোসেনকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় গতকাল সোমবার ভোররাতে পুলিশ আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। মামলার বাদী মা তাসলিমা খাতুন বলেন,মেয়েকে বাড়িতে রেখে তার আড়াই বছরের কন্যাকে নিয়ে বাড়ির বাইরে গিয়েছিলাম। সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে আনিতাকে ডাকতে থাকি। কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরে গিয়ে দেখি গলায় ওড়না প্যাচানো অবস্থায় আমার মেয়ে বিছানার উপর পড়ে আছে। ওই সময় আমার স্বামী স্বীকার করে যে,সেই মেয়েকে শ^াসরুদ্ধ করে হত্যা করেছে। ওসি মো. আবদুল রব তালুকদার বলেন, নিহতের মা নিজে বাদী হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন। অসামী আমীর হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: জামায়াত-শিবিরকে জুলাই নস্যাতের দায় নিতে হবে: মানিকগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দল

দেখুন: যেভাবে চার বার যু/ক্ত/রা/ষ্ট্র/কে শিক্ষা দিয়েছে ই/রা/ন |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন