কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে সৈয়দ আলী (৩০) হত্যা মামলায় ১৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নূরুল আমিন বিপ্লব এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় ৭ জন আসামী উপস্থিত থাকলেও বাকি ৬ জন পলাতক ছিলেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন করিমগঞ্জে সদর উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের দেওপুর কাজলহাটি গ্রামের আব্দুর রউফ আলফাতুন, আজিজুল হক এলাম, হায়দার আলী, আঙ্গুর মিয়া, রোয়েল, রেজা মিয়া, আলাউদ্দিন মেম্বার, আয়াতুল হক মালাম, রাসেল, সোহেল, রিয়াদ, জহিরুল ইসলাম।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা ও নিহত সৈয়দ আলী করিমগঞ্জ উপজেলার দেওপুর (কজলাহাটি) গ্রামের বাসিন্দা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামিদের সাথে নিহত সৈয়দ আলীর বাড়ির সীমানা নিয়ে পূর্ব বিরোধ চলছিল। ২০১৬ সালের ২৩ মার্চ নিয়ামতপুর বাসট্যান্ড বাজারে ফার্মেসী থেকে ঔষধ আনতে গেলে আসামীরা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সৈয়দ আলীর উপর হামলা করে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৯ মার্চ তার মৃত্যু হয়।
এর আগে ২৫ মার্চ নিহতের বড় বোন পারভীন সুলতানা বাদি হয়ে করিমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে করিমগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. শহর আলী একই বছরের ২১ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলায় রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবি ছিলেন পাবলিক প্রসিকউটর (পিপি) এড. জালাল উদ্দিন ও আসামী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন এড. বাবু অসোক সরকার রায়।
পড়ুন: গোপালগঞ্জে হামলার প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ ও ব্লকেট কর্মসূচি
এস/


