বিজ্ঞাপন

গুলশানে চাঁদাবাজি : রিয়াদকে সোয়া দুই কোটি টাকার চেক দেন সাবেক এমপি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা আবদুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান ওরফে রিয়াদের বাসা থেকে উদ্ধার করা সোয়া দুই কোটি টাকার চারটি চেক রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। চেক প্রদানকারী ট্রেড জোনের স্বত্বাধিকারী আবুল কালাম আজাদের সই রয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, চেক চারটি জনতা ব্যাংকের। দুটি চেকে এক কোটি করে দুই কোটি, একটি চেকে ১৫ লাখ ও আরেকটিতে ১০ লাখ টাকার পরিমাণ লেখা আছে। তবে চেকে কোনো তারিখ উল্লেখ নেই। ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছে ট্রেড জোন নামে। ট্রেড জোনের স্বত্বাধিকারীর নাম আবুল কালাম আজাদ।

ডিএমপির গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আলী আহমেদ মাসুদ বলেন, পীরগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের কাছ থেকে চেকগুলো নেওয়া হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

বুধবার (৩০ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, চাঁদা দাবির ঘটনায় গ্রেফতার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা আবদুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান ওরফে রিয়াদের বাসা থেকে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার চারটি চেক উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় কলাবাগান থানায় আলাদা একটি মামলা করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

এক প্রশ্নের জবাবে তালেবুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী আগেই যদি পুলিশকে জানাতেন, তাহলে এ অপরাধ ঠেকানো যেত। পুলিশ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে, কী কারণে তারা চাঁদা দিয়েছিলেন। তাদের কোনো দুর্বলতা ছিল কি না।

গুলশানে চাঁদাবাজির সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, জানতে চাইলে তালেবুর রহমান বলেন, কারও দলীয় পরিচয় মুখ্য বিষয় নয়। তদন্ত চলছে। আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্তে জানা যাবে।

আবদুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান ওরফে রিয়াদ বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। চাঁদাবাজির ঘটনায় সংগঠন থেকে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গুলশানে চাঁদাবাজি : রিয়াদের বাসা থেকে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার চেক উদ্ধার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন