দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ইউরোপ, কিংবা আফ্রিকার করিডোর— সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামছে সাধারণ মানুষ। থাইল্যান্ড, সার্বিয়া ও কেনিয়ায় চলছে বিক্ষোভের ঢেউ। কোথাও সীমান্ত বিতর্ক, কোথাও দুর্নীতির অভিযোগ, কোথাও আবার কর নিয়ে ক্ষোভ— সব মিলিয়ে চাপের মুখে পড়ছে ক্ষমতাসীনরা।
ব্যাংককে বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠে এখন একটাই দাবি— প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রার পদত্যাগ। কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ এবং ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনায় ঘোলাটে হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনীর এক কমান্ডারকে উদ্দেশ্য করে থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমান্ডার থাই সরকারের পক্ষে নেই। আর এতেই শুরু হয় বিতর্ক। ৩৮ বছর বয়সী পেতংতার্ন ক্ষমতায় এলেও তাঁর জোট সরকারের ঐক্য এখন প্রশ্নের মুখে।
এদিকে বেলগ্রেডে আগাম ভোটের দাবিতে মুখর আন্দোলনকারীরা। প্রায় দেড় লাখ মানুষের অংশগ্রহণে এটিই সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচের শাসন শেষ করার আহ্বান তাদের।
বিক্ষোভে দাঙ্গা পুলিশ ছুড়েছে টিয়ার গ্যাস, গ্রেপ্তার করা হয়েছে অনেককে। সরকার বলছে, এটি বিদেশি ষড়যন্ত্র। তবে জনগণ বলছে— দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, গণতন্ত্র হরণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ছে তাঁরা।
দুই দিন আগেই পূর্ব আফ্রিকার কেনিয়ায় কর-বিরোধী বিক্ষোভে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৬ জন। অ্যামনেস্টি বলছে, বেশিরভাগকেই হত্যা করেছে পুলিশ। নাইরোবিতে চলেছে টিয়ার গ্যাস, জলকামান।
বিচ্ছিন্ন হলেও তিন মহাদেশে ছড়ানো এই আন্দোলনের ছবিতে ফুটে উঠছে একটিই বার্তা— গণতন্ত্র আর জবাবদিহির প্রশ্নে থেমে নেই বিশ্ব নাগরিক।
এনএ/


