বিজ্ঞাপন

কিশোরগঞ্জে তাড়াইল উপজেলায় এক পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও পুলিশ সদস্য পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার কয়েক দিন অতিবাহিত হলেও প্রতিপক্ষের ভয়ে এখনো মামলা করতে পারেনি ভুক্তভোগী পরিবারটি। বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে তাদের।

বিজ্ঞাপন

গত রবিবার (১৯ এপ্রিল)সন্ধ্যায় তাড়াইল উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের কল্লা দক্ষিণ নগর গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্য আশরাফুল হেকিম দিদার (বিপি নাম্বার: ৯০১১১৪৯০২৩) ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হেকিমের সন্তান। তিনি সাবেক টুরিস্ট পুলিশ হিসেবে কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলা বালিখলা নৌ ঘাটে কর্মরত ছিলেন । সেখান থেকে গত বছরের ১ নভেম্বর ২০২৫ সালে অবসরে যান ।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ওইদিন সন্ধ্যায় সন্ত্রাসী পিয়াস, শামীম (পিতা: তাজুল ইসলাম), নুরুল ইসলাম (পিতা: ইব্রাহিম) সহ আরও বেশ কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দিদারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে।

আহত দিদারকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে করিমগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত কিশোরগঞ্জ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও হামলাকারীদের ভয়ে থানায় অভিযোগ দিতে সাহস পাচ্ছেন না পরিবারটি। বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হেকিম অত্যন্ত আক্ষেপ ও আতঙ্কের সাথে বলেন আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে তারা কুপিয়ে জখম করেছে আজ সাত দিন হয়ে গেল। আমরা তাদের ভয়ে এখনো কোনো মামলা করতে পারিনি। সারাক্ষণ আতঙ্কে দিন কাটছে, কখন আবার তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে আমার সন্তানের ওপর এই নৃশংস হামলার সুষ্ঠু বিচার চাই।

পড়ুন- পাঁজর ভাঙা দেহে প্লাস্টিকের চেয়ারে ভর, জীবনযুদ্ধে হার মানতে বসেছেন হুরমুজ আলী

দেখুন- জ্বালানি তেলের সংকট কিছুটা কমলেও স্বস্তি ফেরেনি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন