বিজ্ঞাপন

চাঁদা দ্বন্দ্বে মহাসড়ক অচল, ঘণ্টাব্যাপী ভোগান্তি

চাঁদা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই শ্রমিক সংগঠনের বিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়ক ঘণ্টাব্যাপী অবরোধ করে রাখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। এতে সড়কের প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়ে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও মিনিবাসসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।

রোববার (৩ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ অবরোধ শুরু হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটের দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করা হলে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে চাঁদা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছে।

শ্রমিকদের অভিযোগ, উভয় সংগঠনই শ্রমিক কল্যাণের নামে বিভিন্ন যানবাহন থেকে চাঁদা আদায় করে আসছিল, যা নিয়ে দ্বন্দ্ব তীব্র আকার ধারণ করে। এরই জেরে গত ২৪ এপ্রিল ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন ধর্মঘটের ডাক দেয়, ফলে একদিন জেলার বাস চলাচল বন্ধ থাকে। পরদিন রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণে এলেও নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়।


শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, রোববার সকালে পুলিশ চাঁদাবাজির অভিযোগে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও এক সদস্যকে আটক করে। এর প্রতিবাদে বিকেলে সড়ক অবরোধে নামেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসির উদ্দীন বলেন, দুই সংগঠনের মধ্যে পূর্বে সমঝোতা হলেও আজ আমাদের নেতাদের আটক করায় পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রশাসন দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলে আমরা অবরোধ প্রত্যাহার করি।

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরামুল হোসাইন জানান, দুই পক্ষের ভুল বোঝাবুঝির কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, বারবার চাঁদা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অচলাবস্থা জনদুর্ভোগ বাড়াচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের ভোগান্তির আশঙ্কা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বিদ্যালয়ের পরিতক্ত রুমে মাদক সেবনকালে আটক-৬

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন