বিজ্ঞাপন

জকসুর ক্রিড়া সম্পাদককে জনসম্মুখে থাপ্পর মারলের সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অষ্টম ইন্ডোর গেইমস ক্যারাম টুর্নামেন্ট খেলাকে করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈমের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন এক নারী খেলোয়াড়৷ এ ঘটনায় বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিসকে ’থাপ্পড়’ দিয়েছেন খেলায় অংশ নেওয়া সাদিয়া সুলতানা নেলী নামের ওই শিক্ষার্থী।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নীচতলায় অষ্টম ইন্ডোর গেইমস প্রতিযোগিতার ক্যারাম ইভেন্টের ফাইনাল খেলা নিয়ে এমন ঘটনা ঘটে।

এরপর ওই শিক্ষার্থী ফেসবুকে একটি পোস্টে থাপ্পড় মারার কথা স্বীকার করে জকসুর ক্রীড়া সম্পাদককে সতর্ক করে বলেন, এর পর থেকে খেলায় স্বজনপ্রীতি করলে এর চেয়ে বেশি থাপ্পড় খাবেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইনডোর গেইমস প্রতিযোগিতার ক্যারামের ফাইনাল খেলা চলাচালে খেলার নিয়ম ভাঙার অভিযোগ উঠে। এসময় খেলায় অংশ নেওয়া নেলী ও জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিসের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে নেলী জকসুর ক্রীড়া সম্পাদককে থাপ্পড় দেন। পরে উপস্থিতি অন্যরা তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।

সাদিয়া সুলতানা নেলী অভিযোগ করেছেন, খেলার নিয়ম অনুসারে ডুয়েল গেমসে দুইজন খেলোয়াড়কে একই বিভাগের হতে হবে। কিন্তু আমাদের অপনেন্টে থাকা দুজন খেলোয়াড় একই বিভাগের ছিল না। খেলার নিয়ম অনুযায়ী তারা অনৈতিক পথ অবলম্বন করেছে যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিষয়টি জানার সাথে সাথে আমরা ক্রীড়া কমিটির দায়িত্বে থাকা কমিটির উপপরিচালক গৌতম কুমার কে জানাই। তিনি তাৎক্ষণিক বিষয়টি পর্যালোচনা করে তাদেরকে বহিষ্কার করে আমাদের টিমকে জয়ী ঘোষণা করে।

তিনি আরও বলেন, তবে জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈম তা না মেনে তিনি অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নেন এবং আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বাজে মন্তব্য করতে থাকেন। তিনি একজন জকসু প্রতিনিধি তিনি ব্যক্তিগতভাবে কারো পক্ষ নিতে পারেন না। তাকে বারবার বোঝানো সত্ত্বেও তিনি বিষয়টি মানতে নারাজ। এখানে স্পষ্ট পক্ষপাতিত করছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : টানা বৃষ্টিতে ডুবল কিশোরগঞ্জের অনেক জায়গা, হাঁটু পানিতে স্থবির জনজীবন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন