বিজ্ঞাপন

ঠাকুরগাঁওয়ে পোল্ট্রি ফার্মে বিষ প্রয়োগ, তিন হাজার মুরগীর মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ে একটি পোল্ট্রি ফার্মে বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশির বিরুদ্ধে। বিষ প্রয়োগের কারণে ওই ফার্মের তিন হাজার বয়লার মুরগীর মৃত্যু হয়েছে। এতে ১৭ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় পোল্ট্রি ফার্ম কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের ভেলারহাট খেকিডাঙ্গা গ্রামে আবু সাঈদ পোল্ট্রি ফার্মে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত তোফাজ্জল ইসলাম ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নের ভেলারহাট গ্রামের প্রয়াত আবুল কাসেমের ছেলে ও তোফাজ্জলের স্ত্রী মর্জিনা বেগম।

পোল্ট্রি ফার্মের মালিক আবু সাঈদ বলেন, ভেলারহাট খেকিডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা আমির হোসেনের কাছ থেকে বয়লার মুরগী করার জন্য তিন বছরের জন্য তার তিনটি শেড ভাড়া নেওয়া হয়। তিনটি শেডে সাড়ে ৭ হাজার বয়লার মুরগী পালন করা হচ্ছিল। কিন্তু সোমবার সকালে প্রতিবেশি তোফাজ্জল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী মর্জিনা বেগম আমার খামারে প্রবেশ করে এবং পুরো খামারে কীটনাশক বিষ প্রয়োগ করে। বিষ প্রয়োগের কারণে খামারে থাকা তিন হাজার মুরগীর মৃত্য হয়। এতে করে ১৭ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আবু সাঈদ বলেন, প্রতিবেশি তোফাজ্জল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী মর্জিনার সাথে আমার কোন ধরনের শত্রুতা নেই। তারা কি কারণে আমার এই ক্ষতি করলো আমি বুঝে উঠতে পারছি না। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, সকালের দিকে তোফাজ্জল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী মর্জিনার মিলে আবু সাঈদের পোল্ট্রি ফার্মে কীটনাশক বীষ প্রয়োগ করার সময় তাদের দেখতে পাই। আমাকে দেখা মাত্রই তোফাজ্জল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী মর্জিনার দ্রুতই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এরা মানুষের কাতারেই পরে না, মানুষ হলে এমন কাজ করতে পারতো না।

অভিযুক্ত তোফাজ্জল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া থানার ওসি মো. বদিউজ্জামান বলেন, পোল্ট্রি ফার্মে বিষ প্রয়োগে মুরগী মারার বিষয়টি শুনেছি। তবে এখন অবধি কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : বন্দরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন