বিজ্ঞাপন

ঢাকার উত্তরা থেকে নেত্রকোনায় একাধিক মামলার পলাতক আসামি র‍্যাবের জালে

চেক জালিয়াতি মামলায় ছয় মাসের সাজাপ্রাপ্ত এবং অন্যান্য একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি সোহাগ আলম তালুকদারকে (৩৫) রাজধানী থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বিজ্ঞাপন

গ্রেফতারকৃত সোহাগ আলম তালুকদার নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার বন্দ সাংসা গ্রামের আব্দুল হেকিম তালুকদারের (লালচান) ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে তিনি রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে র‍্যাব-১৪ এর মিডিয়া অফিসার (সিনিয়র সহকারী পরিচালক) কর্তৃক প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন। এরআগে, গতকাল (শনিবার) বিকেলে ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৪, ময়মনসিংহ এর সদর কোম্পানির কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিনের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। শনিবার বিকেল আনুমানিক ৪টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা পূর্ব থানাধীন ৬নং সেক্টরের কল্যাণ সমিতি পার্ক এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এ অভিযানে ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ এর সদর কোম্পানিকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে ঢাকার র‍্যাব-১ এর সিপিসি-২ (উত্তরা) টিম।

র‍্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত সোহাগ আলমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ১৮৮১ সনের হস্তান্তর যোগ্য দলিল আইনে ধারায় দায়েরকৃত নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলায় একটি মামলায় সোহাগ আলম ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত। এছাড়াও একই জেলার দুর্গাপুর থানায় দায়েরকৃত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি এই সোহাগ।

র‍্যাব-১৪ এর মিডিয়া অফিসার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেফতারে র‍্যাবের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

পড়ুন:যেসব জেলায় বজ্রবৃষ্টি ও ঝড় বইতে পারে

দেখুন:সংকটে ওয়ান ব্যাংক, সমন্বয়ক বসাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন