যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে ইরান তাদের মাটির নিচে লুকানো এবং বিমান হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম উদ্ধারে জোর তৎপরতা শুরু করেছে। শুক্রবার (১ মে) এমএসএনের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
এদিকে নতুন করে যুদ্ধের সুর বাজছে ট্রাম্প প্রশাসনে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আবারও যুদ্ধ শুরু করার প্রয়োজন হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, হরমুজ নিয়ে চলমান আলোচনা খুব সীমিত সংখ্যক মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এবং পরিস্থিতি অনিশ্চিত।
এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রশাসন যদি আবারও সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টা হামলা চালানোর জন্য ইরান দ্রুত তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে চাইছে বলে ধারণা করছে মার্কিন কর্মকর্তারা।
এক মার্কিন কর্মকর্তা ও এই বিষয়ে অবগত আরও দুজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলার পর যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ মাটির নিচে বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিল, সেগুলো খুঁড়ে বের করতে তেহরান বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে।
গত কয়েক দিনে এই তৎপরতা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তারা। মূলত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যেকোনো মুহূর্তে হামলা চালানোর সক্ষমতা ধরে রাখতেই যুদ্ধবিরতির এই সময়টিকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করছে ইরান বলে মনে করছে ওয়াশিংটন।
এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজের জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে বসার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে হোয়াইট হাউজ সূত্র থেকে। সূত্রানুসারে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা এবং ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করার সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি।
পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হবে : ইরানের প্রেসিডেন্ট


