নীলফামারীতে হাম ও রুবেলা নির্মূলের লক্ষ্যে জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে জেলার টিকাদান লক্ষ্যমাত্রা তুলে ধরা হয়েছে।
নীলফামারী সিভিল সার্জন ও সাস্থ কর্মকর্তারা জানান, এ ক্যাম্পেইনে জেলার মোট ২ লাখ ১০ হাজার ২৬৯ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৬ মাস থেকে ৬০ মাস পযন্ত শিশুদের এই টিকার আওতায় আনা হবে। এখন পযন্ত নীলফামারী জেলায় আক্রান্ত রোগির সংখা ৫ জন, এবং কোন মৃত্যু হয়নি।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, কমিউনিটি পর্যায়ে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ২৯১ জন, এবং স্কুল পর্যায়ে ১৬ হাজার ৯৭৮ জন শিশু। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আলাদা লক্ষ্য নির্ধারণ না থাকলেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে বলে জানানো হয়।
উপজেলা ভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ডোমার, জলঢাকা ও নীলফামারী সদর উপজেলায় তুলনামূলক বেশি সংখ্যক শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জলঢাকায় সর্বোচ্চ প্রায় ৩৮ হাজার ৪৮৪ জন, ডোমারে ৩১ হাজার ১৯২ জন এবং সদরে প্রায় ৩৮ হাজার ৬৬৩ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এসময় সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, হাম ও রুবেলা অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হলেও সময়মতো টিকা গ্রহণের মাধ্যমে তা প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ে নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।
এ সময় সাংবাদিকরা টিকাদান কার্যক্রমের প্রস্তুতি, কেন্দ্র সংখ্যা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন, যার জবাব দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম মন্জুরুল আলম সিয়াম ও সাধারন সম্পাদক মিল্লাদুর রহমান মামুন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারন সম্পাদক, আলামিন ইসলাম, সাবেক সভাপতি আল ফারুক পারভেজ উজ্জল, রিপোর্টার্স ইউনিটির দপ্তর সম্পাদক নুরল আমিন এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিনিধি ও জেলার বিভিন্ন পিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন- সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু
দেখুন- নিজের ঘর দিয়েই বুঝি চিকিৎসক বিপদের বন্ধু: প্রধানমন্ত্রী


