বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় নৌকা থেকে চোরাই গরু নামানোর সময় জনতার হাতে আটক ৩

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় তিনটি চোরাই গরুসহ তিন চোরকে আটক করেছে থানা পুলিশ। রবিবার (৩ মে) দুপুরে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের দেওসহিলা গ্রাম থেকে তিন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হাওর এলাকা থেকে গরুগুলো চুরি করার কথা স্বীকার করেছে।

আটককৃত তিন যুবকের মধ্যে দুজনের বাড়ি নেত্রকোনায় এবং একজনের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। তারা হলেন- মদনের গোবিন্দশ্রী বারঘরিয়া পশ্চিম হাঁটির আব্দুল মন্নাফের ছেলে হাদিস মিয়া (৩০) একই ধোবাওয়ালা গ্রামের হাসেম উদ্দিনের ছেলে মিলন মিয়া (২৫)। আরেকজন কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ধলা সারেং বাড়ির শহিদ মিয়ার ছেলে তৌহিদ মিয়া (২৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের দেওসহিলা গ্রামের হাফিজুর রহমানের বাড়ির ঘাটে একটি নৌকা এসে থামে। নৌকাটি থেকে তিন ব্যক্তি তিনটি গরু নামাচ্ছিল। এ সময় দেওসহিলা গ্রামের আবু সিদ্দিকসহ স্থানীয় কয়েকজনের নজরে আসে বিষয়টি। সন্দেহ হওয়ায় তারা তিন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। একপর্যায়ে কথায় অসংলগ্নতা পেলে জনতার জেরার মুখে গরু চুরির বিষয়টি সামনে আসে। পরে স্থানীয় লোকজন মদন থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গরুসহ ওই তিন ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফি জানান, “সন্দেহজনকভাবে গরু নামানোর সময় স্থানীয় জনতা ওই তিন চোরকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে, ভাটির হাওর থেকে তারা গরুগুলো চুরি করে এনেছে। পরে পুলিশ এসে তিনটি গরুসহ তাদের থানায় নিয়ে যায়।”

এ বিষয়ে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, “তিনটি গরুসহ তিন চোরকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত গরু চুরির মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”

বর্তমানে আটককৃতদের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং চোরাই গরুগুলোর প্রকৃত মালিকের সন্ধান পেতে কাজ করছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : চাঁদা দ্বন্দ্বে মহাসড়ক অচল, ঘণ্টাব্যাপী ভোগান্তি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন