বজ্রপাতে সারাদেশে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত দুইজন।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে গাইবান্ধায় পাঁচজন। সিরাজগঞ্জের তাড়াশে দুইজন, জামালপুরের মলান্দহে দুইজন, বগুড়ার গাবতলিতে একজন, নাটোরের সিংড়ায় একজন মারা গেছেন।
গাইবান্ধায় নিহতরা হলেন-ওই এলাকার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ (১৪), ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি (১৫) এবং নবীর হোসেনের ছেলে মিজান (২০)। এ ঘটনায় আহত শামীম (১৮) একই গ্রামের আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে।
জামালপুরে তীব্র তাপদাহের পর হঠাৎ শুরু হওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন এক নারীসহ দুইজন। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে পৃথক ২ উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। বিকেল ৩টার দিকে প্রচণ্ড বাতাসে দিনের আলোয় অন্ধকার নেমে আসে এবং শুরু হয় ঘণ্টাব্যাপী ঝড়-বৃষ্টি।
কালবৈশাখী ঝড়ের সময় মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম কড়ইচুড়া গ্রামে মর্জিনা বেগম (২২) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের রাজিবের স্ত্রী এবং তিন বছর বয়সী এক কন্যা সন্তানের জননী।
বগুড়ার গাবতলীতে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত যুবকের নাম সুমন (৩৫)। তিনি মুচিখালী গ্রামের মো. আবদুল করিমের ছেলে।
পড়ুন : গরু-মহিষ চুরি বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ, প্রতিকার চান পটিয়ার খামারিরা


