বিজ্ঞাপন

মহারাজা কুমুদ চন্দ্র স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ ৬ শূন্য পদে নিয়োগ ও ৬ পদ সৃজনের তাগিদ

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা সদরে অবস্থিত স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‌‌‘মহারাজা কুমুদ চন্দ্র মেমোরিয়াল পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে’র দীর্ঘদিনের শিক্ষক ও কর্মচারী সংকট নিরসনে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান নিশ্চিতে সোমবার (২৭ এপ্রিল) তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক বরাবর পৃথক দুটি আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) প্রেরণ করেছেন। পত্র দুটিতে বিদ্যমান শূন্য পদগুলোতে দ্রুত জনবল পদায়ন এবং যুগের চাহিদানুযায়ী নতুন কিছু পদ সৃজনের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

মাউশি মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনউদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বরাবর পাঠানো পত্রে ডেপুটি স্পিকার উল্লেখ করেন, প্রধান শিক্ষকসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি পদে জনবল না থাকায় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। তিনি জরুরি ভিত্তিতে ছয়জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের অনুরোধ জানান।

চিঠিতে উল্লেখিত শূন্য পদগুলো হলো- একজন করে প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি), সহকারী শিক্ষক (গণিত), উচ্চমান সহকারী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও নৈশ প্রহরী।

বিদ্যালয়টিতে বর্তমান সময়ের আলোকে বেশ কিছু বিষয়ে পাঠদানের জন্য কোনো সৃষ্ট পদ নেই। ঘাটতি পূরণে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বরাবর পাঠানো আরেকটি পত্রে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নতুন ছয়টি পদ সৃজনের বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন।

সৃজনযোগ্য নতুন পদগুলো হলো- একজন করে সহকারী শিক্ষক (ভৌত বিজ্ঞান), সহকারী শিক্ষক (ভূগোল), সহকারী শিক্ষক (চারু ও কারুকলা), অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর, আয়া ও মালী।

দুর্গাপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকারের এমন ত্বরিত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষক এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের শিক্ষকের অভাবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। চিঠি দুটির মাধ্যমে দ্রুত শূন্য পদ পূরণ ও নতুন পদগুলো সৃজন করা হলে দুর্গাপুরের সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর এই বিষয়ে কত দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন দুর্গাপুরবাসী।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ভবিষ্যতের ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার এ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই হবে: ডেপুটি স্পীকার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন