স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি না হওয়াকে দুঃখজনক বলেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমদ আযম খান। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আজ (বুধবার) জাতীয় সংসদে পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমীন দুলালের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।
মন্ত্রী জানান, সরকার শহীদের একটি নির্ভুল ও সর্বজনগ্রাহ্য তালিকা প্রণয়নের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগ সফল হলে দেশের সকল শহীদ ও গণহত্যার শিকার ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬ হাজার ৪৮০ জন।
মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, গেজেটের মধ্যে শহীদ বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধা তিন হাজার ৬৯৮ জন, সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ এক হাজার ৫৪১ জন, শহীদ বিজিবি সদস্য ৮১৭ জন, শহীদ পুলিশ মুক্তিযোদ্ধা ৪২৩ জন ও শহীদ আনসার বাহিনীর এক জন সদস্য রয়েছেন।
এ ছাড়া বিএনপি দলীয় সদস্য (কুমিল্লা-৯) আবুল কালামের এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ২০১০ থেকে মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সুপারিশে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৭৬ জনের গেজেট (লাল মুক্তিবার্তা, ভারতীয় তালিকা) বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বাতিল হয়েছে ৪৮১ জনের নাম।
পড়ুন : অসুস্থ হওয়া বিরোধী দলীয় এমপির খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী


