বিজ্ঞাপন

রাঙ্গাবালীতে লিজ নেওয়া মাছের ঘের ভোগদখলে বাঁধা ও হামলার অভিযোগ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে ৮৯ একর জমির একটি মাছের ঘের লিজ নেওয়ার পরও ভোগদখলে যেতে না দেওয়া ও হামলা করার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন লিজগ্রহীতারা। বুধবার রাতে রাঙ্গাবালী প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিজগ্রহীতা সদর ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোখলেছুর রহমান এবং রত্তন হাওলাদার এই অভিযোগ করেন।

তবে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, প্রকৃত জমির মালিকদের উচ্ছেদ করতেই লিজের আড়ালে পুনরায় দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিজগ্রহীতারা জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি শাহ আলম খানসহ আটজনের মালিকানাধীন ৮৯ একর জমির মাছের ঘের ‘একসনা’ লিজ নেন পাঁচজন। লিজ নেওয়ার পর সেখানে ৫৩ মণ মাছ চাষ করা হলেও পরবর্তীতে সেই মাছ লুট করা হয় বলে তারা অভিযোগ করেন।

লিজগ্রহীতাদের দাবি, লিজ চুক্তির বাইরে থাকা ৯ একর জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত ঘটিয়ে একটি পক্ষ পুরো ঘেরের ভোগদখলে বাঁধা সৃষ্টি করছে। ওই পক্ষটি সাড়ে ৪ একরে আলাদা ঘের নির্মাণসহ প্রায় ২০ একর জমির মালিকানা দাবি করছে।

এই বিরোধের জেরে গত ১৯ এপ্রিল রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়। মামলার পর গত মঙ্গলবার ঘেরটির দখল নিতে গেলে হামলার শিকার হন বলে দাবি করেন মোখলেছুর ও রত্তন।

মোখলেছুর ও রত্তন অভিযোগ করেন, সোহরাব, রাজ্জাক, শাহ জামাল ও ওহাব মাতুব্বরের নেতৃত্বে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়, এতে তারা গুরুতর আহত হন।

অভিযুক্ত পক্ষের ওহাব মাতুব্বর সব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, শাহ আলম খান দীর্ঘ বছর ধরে ঘেরটির মধ্যে থাকা প্রায় ২০ একর জমি অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। যেখানে আলম খানের জমি আছে দেড় একরেরও কম। গত ৫ আগস্টের পর প্রকৃত জমির মালিকরা তাদের অংশ বুঝে নেন। এখন কৌশলে ঘেরটি লিজ দেওয়ার মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের পুনরায় উৎখাত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। জমি মালিকরা নয়, উল্টো লিজগ্রহীতা পক্ষই লাঠিসোটা নিয়ে জমির মালিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে দাবি তাদের।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রাঙ্গাবালীতে আ’লীগ নেতার বাবার ঘের লিজকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৭

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন