মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেডের মালিক মোহা. নূর আলীসহ সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি ৭১ লাখ টাকার সংঘবদ্ধ প্রতারণার প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ ঘটনায় গুলশান থানায় রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে সংস্থাটি।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খানের স্বাক্ষর করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মানিলন্ডারিং অনুসন্ধানকালে জানা যায় ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেডের মালিক নূর আলী ও অন্য অভিযুক্তরা মালয়েশিয়ায় পাঠানো প্রতি কর্মীর কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন। অভিযুক্তরা ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ২ বছরে সর্বমোট ৩ হাজার ৭৮৭ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় পাঠিয়েছেন। সরকারি ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও নূর আলীসহ সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তরা জনপ্রতি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে আদায় করেন। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট খরচ, কোভিড-১৯ টেস্ট, মেডিকেল ফি ও পোশাক সংক্রান্ত ফি’র নামে এসব অতিরিক্ত খরচ আদায়ের তথ্য পাওয়া যায়।
এতে আরও জানানো হয়, সংঘবদ্ধ চক্রটির ১৪ সদস্য পরস্পর যোগসাজসে প্রতারণা করে মোট ৪০ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ৩৭০ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যায়, যা সুস্পষ্টভাবে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ অনুযায়ী মানিলন্ডারিং অপরাধ। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ পরিচালনা করছে।
অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদ্ঘাটন, অজ্ঞাত অপরাপর সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
পড়ুন : যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়ায় বেনজীরের সম্পদ ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ


