বিজ্ঞাপন

জুলাই আন্দোলন দমাতে নারীদের হেনস্থা করা হয় : প্রসিকিউশন

সারা দেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া নারী শিক্ষার্থী-জনতাকে নির্যাতন, শ্লীলতাহানি করাসহ নির্বিচারে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। বুধবার (১৫ অক্টোবর) শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে চতুর্থ দিনের যুক্তি তুলে ধরা হয়। দাখিল করা হয় হেলিকপ্টার থেকে গুলির যাবতীয় ডকুমেন্ট। পরে সাংবাদিকদের চিফ প্রসিকিউটর জানান, যে অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অভিযোগ প্রমাণে যথেষ্ট।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে ঢাকার আকাশে ওড়ে হেলিকপ্টার। টার্গেট করে ছোড়া হয় গুলি। বুধবার শেখ হাসিনার মামলায় দেখানো হয় এ রকম ভিডিওচিত্র।

প্রসিকিউশন আদালতে তুলে ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে গুলির প্রমাণ। তারা জানান, পুরো আন্দোলনে নিরস্ত্র ছাত্র জনতাকে পাখির মতো গুলি করা হয় হাসিনার নির্দেশে। শুধু ঢাকাতেই ৯০ হাজারের বেশি গুলি হয় আর সারাদেশে তাজা বুলেট ছোড়া হয় ৩ লাখেরও বেশি। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত নিহতদের শরীর থেকে সংগৃহীত মারণাস্ত্রের বুলেট প্রমাণ হিসেবে দাখিল করা হয় আদালতে।।

যুক্তিতর্কে প্রসিকিউশন দাবি করে, আন্দোলনে অংশ নেওয়া নারী ও শিশুদের সাথে পাশবিক নির্মমতা দেখায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ফ্যাসিস্টের দোসররা।

প্রসিকিউশন জানায়, যেসব দালিলিক প্রমাণ আদালতে তুলে ধরা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে তা আসামিদের অপরাধ প্রমাণে যথেষ্ট।

বুধবার প্রায় তিন মাস পর জুলাই-আগস্টে গণহত্যার মামলায় পৃথক ৭ মামলায় একসঙ্গে ৪৫ জন আসামিকে আনা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। আওয়ামী লীগের এ শীর্ষ নেতাদের সবার বিরুদ্ধে তদন্ত শেষের দিকে। দ্রুতই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে জানায় প্রসিকিউশন।

এ দিন আশুলিয়ার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণও অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : আবু সাঈদ হত্যা : ৩০ আসামির বিরুদ্ধে দশম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন