ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ার প্রভাবে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় শ্রীলঙ্কায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুই শতাধিক মানুষ। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, প্রাণ বাঁচাতে ১ লাখ ৮ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুই লাখেরও বেশি ঘরবাড়ি। এর মধ্যে ২০ হাজারের বেশি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দেশটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকায় এখনো নেই বিদ্যুৎ কিংবা নিরাপদ পানি।
কেলানি নদীর পানির স্তর দ্রুত বাড়তে থাকায় নিন্মাঞ্চল খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রীয় জেলা কান্ডি ও বাদুল্লা—এলাকার বহু গ্রাম এখনো বাইরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।
বাদুল্লার মাসপান্না গ্রামের বাসিন্দা সামান কুমারা বলেন, “আমাদের গ্রামে দুইজন মারা গেছেন। বাকিরা আশ্রয় নিয়েছেন মন্দিরে বা যে কয়েকটি ঘর অক্ষত আছে সেখানে। পাহাড়ধসে সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কেউ আসতেও পারছে না, আমরাও বের হতে পারছি না। খাবার নেই, বিশুদ্ধ পানিও ফুরিয়ে গেছে।”
উত্তর-মধ্যাঞ্চলীয় কুরুণাগালা জেলায় একটি বৃদ্ধাশ্রমে পানিবন্দি হয়ে মারা গেছেন কমপক্ষে ১১ বাসিন্দা। অন্যদিকে আনুরাধাপুরায় পানিতে তলিয়ে যাওয়া একটি বাস থেকে নৌবাহিনী উদ্ধার করেছে ৬৪ যাত্রীকে।
পড়ুন: সবুজ ঢাকার স্বপ্নদ্রষ্টা আনিসুল হকের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
আর/


